রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহী বিভাগ (Rajshahi Division) এশিয়া মহাদেশের (Asia Continent) বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল, যা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, মসজিদ-মন্দির এবং আমের জন্য বিখ্যাত। এখানে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, মহাস্থানগড়, খেরুয়া মসজিদ এবং পুঠিয়া রাজবাড়ি অন্যতম দর্শনীয় স্থান। এছাড়া, রাজশাহী শহর পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত, যা এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে। ঐতিহ্য, শিক্ষা ও প্রকৃতির অনন্য মেলবন্ধনে রাজশাহী বিভাগ ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হতে পারে।

জনপ্রিয় গাইড

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (Paharpur Buddhist Bihar) বা সোমপুর বিহার (Somapura Mahavihara) বা সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলার ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল দেব (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন। ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপনা আবিষ্কার করেন। ৩০০ বছর ধরে চলা বৌদ্ধদের ধর্মচর্চার কেন্দ্র পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কে ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে তালিকাভুক্ত করে। এছাড়া,…

রাজশাহী বিভাগের দর্শনীয় স্থান ও ভ্রমণ গাইড

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

১৮২৯

প্রতিষ্ঠিত

রাজশাহী

সদরদপ্তর

১৮,১৫৩.০৮ বর্গকিমি

আয়তন

১,৩০০/বর্গকিমি

জনঘনত্ব

৮টি

জেলা

৬৭টি

উপজেলা

৬২টি

পৌরসভা

১টি

সিটি কর্পোরেশন

আম

বিখ্যাত খাবার

রজনীকান্ত সেন

বিখ্যাত ব্যক্তি

পুঠিয়া রাজবাড়ি

বিখ্যাত স্থান

বাঘা মসজিদ

বিখ্যাত মসজিদ

জেলা অনুযায়ী রাজশাহী বিভাগ

বিভাগের আরও দেখুন

রাজশাহী বিভাগের ভ্রমণ নিয়ে প্রশ্ন-উত্তর

রাজশাহী বিভাগ (Rajshahi Division) এশিয়া মহাদেশের (Asia Continent) বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। এটি পদ্মা নদীর তীরে বিস্তৃত এবং আমের জন্য বিখ্যাত।

রাজশাহীর বিখ্যাত স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, মহাস্থানগড়, চাপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ, নাটোরের উত্তরা গণভবন, রাজশাহী শহরের বরেন্দ্র জাদুঘর ও পদ্মার চর।

রাজশাহীতে সাঁওতাল, ওরাওঁ, মাহালী ও মালোসহ কয়েকটি আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে।

রাজশাহী অঞ্চলের পুরুষরা সাধারণত লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি পরিধান করে, আর নারীরা শাড়ি পরে। আদিবাসী নারীরা নিজেদের ঐতিহ্যবাহী রঙিন তাঁতের কাপড় ব্যবহার করেন।

এখানকার প্রধান ভাষা বাংলা। তবে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাঁওতালি, ওরাওঁ ও অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষার প্রচলন রয়েছে।

রাজশাহীর বিখ্যাত খাবারের মধ্যে আম, ক্ষীরসাপাতি ও ল্যাংড়া আম, রাজশাহীর কদমা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরমোহন, কালাই রুটি ও বগুড়ার দই অন্যতম।

নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত রাজশাহী বিভাগ ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড গরম থাকলেও জুন-জুলাই মাসে আমের মৌসুমে ভ্রমণের আলাদা আকর্ষণ থাকে।

পদ্মা নদী রাজশাহী বিভাগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী। এটি কৃষি ও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং পদ্মার তীরে রাজশাহী শহর অবস্থিত।

এই বিভাগের অর্থনীতির প্রধান উৎস হলো কৃষি। আম, রেশম শিল্প, পাট ও ধানচাষ এখানকার প্রধান অর্থনৈতিক খাত।

রাজশাহী বিভাগ দেশের সবচেয়ে বেশি ও উন্নত মানের আম উৎপাদন করে। এখানকার ল্যাংড়া, ক্ষীরসাপাতি ও গোপালভোগ আম স্বাদ ও গুণগত মানের জন্য বিখ্যাত, যা রাজশাহীকে “আমের রাজ্য” হিসেবে পরিচিত করেছে।

গোআরিফ লগো আইকনগোআরিফ লগো আইকন

আপনার আশেপাশের দর্শনীয় স্থানের তথ্য দিন

আপনার আশেপাশের দর্শনীয় স্থানের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।