মেঘনা নদী (Meghna River), চট্রগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর এর পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে। দারুণ এই স্থানে অনেক দূর থেকে পর্যটক আসেন নদীতে গোসল করা, পাড়ে বসে নদীর অসাধারণ দৃশ্য দেখার জন্য।
আরও: ধনাগোদা নদী
| স্থান | মোহনপুর, মতলব উত্তর, চাঁদপুর |
| দৈর্ঘ্য | ১৫৬ কিলোমিটার |
| গড় প্রস্থ | ৩৪০০ মিটার |
| নদীটির প্রকৃতি | সর্পিলাকার |
| উত্স | বরাক নদী |
কি দেখবেন
মেঘনা নদী ভ্রমণে আপনি নদীর পাড়ে ফুটবল খেলা থেকে শুরু করে ক্যাম্প করে রাত্রি যাপন, পিকনিক করা, পাড়ে বসে সময় কাটানো, ট্রলার বা নৌকো দিয়ে মাছ ধরা, নদীতে সাতার কাটা সহ অনেক একটিভিটি করতে পারবেন। এখানে পাড়ে বসে সন্ধ্যার পর সূর্যাস্ত দেখতে পারবেন। সদরঘাট থেকে ছেড়ে আসা বরিশালগামী লঞ্চেরও দেখা পাবেন এখানে।
টিপস ও সতর্কতা
- জোয়ারের সময় মেঘনা নদীতে ভ্রমণ না করাই ভালো।
- নিজের বা অন্য কারও সাথে চ্যালেঞ্জ করে নদীর গভীরে যাবেন না। বলাতো যায় না, বড় ঢেউ এসে আপনাকে তলিয়ে দিতে পারে।
- পাড়ের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করুণ।
- পাড় থেকে নদীতে লাফ দেয়ার আগে, পানির নিচে ব্লক বা অন্য কিছু আছে কিনা জেনে/দেখে নিন।
- বড় ঢেউ এলে পাড়ে উঠে আসুন।
- ঝড়ের সময় নদীতে সাঁতার কাটতে নামবেন না।
- নৌকা চালাতে না জানলে নৌকো নিয়ে গভীরে যাবেন না।
- নদীর পানি পান করবেন না।
- নদীতে সাতার কাটার সময় তাড়াহুড়া করবেন না। কারন, পানিতে সাতার কাটার সময় শরীরের এনার্জি দ্রুত ফুঁড়িয়ে আসে।
- নিরাপদ স্থানে আপনার মোবাইল, মানিব্যাগ, জামাকাপড় রেখে নদীতে নামুন।
কিভাবে যাবেন
বাংলাদেশের যে কোন স্থান থেকে আপনি এখানে আসতে পারবেন। চাঁদপুর বা বাবুরহাট থেকে কিছুক্ষণ পর পর সিএনজি আসে মতলব এর উদ্দেশ্যে। জন প্রতি ভাড়া ৪০-৮০টাকা নিতে পারে। সিএনজি আপনাকে মতলব বাজারে নামিয়ে দিবে অথবা মতলব ব্রিজে নিয়ে আসবে। মতলব ব্রিজ থেকে CNG, অটো রিক্সা কিংবা মোটরসাইকেলে করে মতলব উত্তরের নতুন বাজার বা আনন্দ বাজার হয়ে একলাশপুর লঞ্চঘাট পার হয়ে বকুলতলার পাশ দিয়েই বয়ে গেছে মেঘনা নদী।
কোথায় খাবেন
এখানে খাওয়ার জন্য ছোট ছোট দোকান পাবেন। এছাড়া একলাশপুর কিংবা কাছেই মোহনপুর লঞ্চ ঘাটে গিয়েও খেতে পারেন।
ফেসবুক: GoArif
