ধনাগোদা নদী (Dhonagoda River), বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার উত্তর, ও উত্তর পশ্চিম দিকে মেঘনা নদী ও পূর্ব দিকে প্রভাহিত ধনাগোদা নদী দ্বারা বেষ্ঠিত রয়েছে। পূর্ব দিকে দাউদকান্দি (কুমিল্লা), উত্তরে গজারিয়া (মুন্সিগঞ্জ), দক্ষিনে মতলব (চাঁদপুর), পশ্চিমে শরিয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলা রয়েছে। ধনাগোদা নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের চাঁদপুর জেলার ও মতলব উপজেলার একটি প্রবাহমান নদী।
আরও: মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প
| অবস্থান | বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের চাঁদপুর জেলার সদর ও মতলব উপজেলা। |
| উত্স | মেঘনা নদী |
| দৈর্ঘ্য | ৪১ কিলোমিটার (২৫ মাইল) |
| গড় প্রস্থ | ২২৯ মিটার |
| পরিচিতি নম্বর | দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ১১ |
১৯৮৮ সালে এই বেড়ীবাঁধ ছুটে ধনাগোদা নদীর পানি ঢুকে পড়েছিল মতলব উত্তর উপজেলায়। ১৯৮৮ সালের পর অবশ্য বেশ শক্ত পোক্ত এবং বেশ উচু করে পুনরায় এই বেড়ীবাঁধ নির্মাণ করা হয়। নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ প্রায় ২২৯ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক ধনাগোদা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী নং হচ্ছে ১১।
ধনাগোদা নদীটি চাঁদপুর জেলার উত্তর মতলব উপজেলার বাগানবাড়ি ইউনিয়নে প্রবহমান মেঘনা আপার নদী থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। অতপর নদীটি একই উপজেলার ফরাজিকান্দি ইউনিয়ন অবধি প্রবাহিত হয়ে পুনরায় মেঘনা আপার নদীতে পতিত হয়েছে। ধনাগোদা নদী নাব্যতা হারিয়ে দিন দিন সরু হয়ে যাচ্ছে। ধনাগোদা নদী থেকে গত এক দশকে হারিয়ে গেছে ২০ প্রজাতির মাছ। এখন এই নদীতে ছোট ছোট নৌকা, ট্রলার আর ছোট লঞ্চ চলাচল করে।
কিভাবে যাবেন
বাংলাদেশের যে কোন স্থান থেকে আপনি এখানে আসতে পারবেন। চাঁদপুর বা বাবুরহাট থেকে কিছুক্ষণ পর পর সিএনজি আসে মতলব এর উদ্দেশ্যে। জন প্রতি ভাড়া ৪০-৮০টাকা নিতে পারে। সিএনজি আপনাকে মতলব বাজারে নামিয়ে দিবে অথবা মতলব ব্রিজে নিয়ে আসবে। মতলব ব্রিজ থেকে অথবা জনপ্রতি ৫টাকা দিয়ে নৌক করে নদী পার হয়ে সিএনজি অথবা মোটরসাইকেল অথবা অটো রিক্সা দিয়ে চলে আসতে পারেন পাম্প হাউজ বা মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প উধামদিতে। এছাড়া দাউদকান্দি থেকে ছিরারচর হয়েও মতলব আসতে পারেন। পাম্প হাউজের পাশ দিয়েই বয়ে গেছে ধনাগোদা নদী।
ফেসবুক: GoArif
